কবে আসতে পারবেন সিঙ্গাপুরে


যে সকল সিঙ্গাপুর প্রবাসী ভাইয়েরা সিঙ্গাপুরে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন আমার এই লেখাটা বিশেষ করে তাদের জন্য!!
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে দেখলাম। তিনি সেখানে বলেছেন যে, সিঙ্গাপুরের সকল কার্যক্রম, ভ্রমন, বিমান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য সহ অন্যান্য কিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু সেখানে আমাদের কিছু বাংলাদেশি ভাইয়েরা অনেকেই কমেন্ট করতেছে তাহলে কি আমরা যারা ছুটিতে বা নতুন আইপিএ করে সিঙ্গাপুরে আসার অপেক্ষায় আছি তারা কি ২০২২ সালের আগে ফিরতে পারবো না? আসলে বিষয়টা ঠিক তা না ভাই!! পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া আর নতুন আইপিএ হওয়া এক বিষয় না। কারন শুধু সিঙ্গাপুরই একমাত্র দেশ নয় বিশ্বের অনেক দেশেই আগামী ৬ মাস বা ১ বছরের মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না। কারন কোন দেশই এত সহজে মাস্ক বিহীন অবাধে চলাফেরা, সামাজিক দুরত্ব, সামাজিক সমাবেশ, মিটিং, মিছিল এই সব কার্যক্রম গুলোর উপর যে সকল বিধি নিষেধ গুলো আরোপ করেছিল তা এত তাড়াতাড়ি তুলে নিবে না। তার মানে আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারছি না এত সহজে যতদিন পর্যন্ত না করোনার ভ্যাকসিন ওরস্যালাইন বা সাধারন ট্যাবলেটের মত ফার্মেসি গুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বা সর্বত্র সহজলভ্য হচ্ছে।
এখন আসছি আইপিএর বিষয়টা নিয়ে...👇
সিঙ্গাপুরের বিষয়টা অন্যান্য দেশের তুলনায় একটু ভিন্ন আমার মতে তবে একেকজনের মতামত একেক রকম হতেই পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে আমরা করোনার ভ্যাকসিনের কিছু কিছু পজিটিভ নিউজ বিভিন্ন দেশি-বিদেশী পত্র পত্রিকায় দেখতে পাচ্ছি। ফাইজারের করোনা ভ্যাকসিন ৯৫% কার্যকরী করোনা প্রতিরোধ করতে।
অক্সফোরডের ভ্যাকসিন ৭০% কার্যকরী। এমন আরো বেশ কয়েকটি কার্যকরী ভ্যাকসিনের খবর প্রতিদিনই পাচ্ছি। যেগুলো শিগ্রই অনুমোদনের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে জমা দেওয়া হবে। আশা করি ইনশাআল্লাহ যেকোন একটি ভ্যাকসিন অনুমোদন ও পেয়ে যাবে। আল্লাহর রহমতে যেকোন একটি ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেলেই সিঙ্গাপুর সরকার খুব সহজেই তা পাবে। বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোর সাথে সিঙ্গাপুর সরকারের সু-সম্পর্ক রয়েছে। সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ভ্যাকসিন কোম্পানির সাথে যৌথভাবে কাজ করতেছে। অন্যান্য দেশের মত সিঙ্গাপুর সরকার ও ভ্যাকসিনের জন্য টাকা দিয়ে রেখেছে। সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হচ্ছে সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা প্রায় ৫৮ লক্ষ। এই অল্প সংখ্যক জনসংখ্যার জন্য ভ্যাকসিন ক্রয় করা সিঙ্গাপুর সরকারের জন্য কঠিন কোন বিষয় না। সিঙ্গাপুরে করোনার ভ্যাকসিন যদি সহজলভ্য বা সবার জন্য ব্যবস্থা করতে পারে তাহলে শ্রমিকদের ফিরিয়ে নিতে এত দেরি হবে না আশা করি। গত কিছুদিন আগে সিএনএ নিউজে দেখেছি ২০২১ সালের প্রথম দিকেই সিঙ্গাপুরে করোনার ভ্যাকসিন আসবে। তাই যারা অধীর আগ্রহে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন, হতাশ হবেন না..🙏🙏🙏
আশা করি ২/৩ মাসের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটা ভালো হবে। আমরা আবার আমাদের কর্মস্থলে ফিরে যাবো।
ইনশাআল্লাহ!

Post a Comment

thank you

নবীনতর পূর্বতন